ক) তৎপুরুষ সমাস
খ) বহুব্রীহি সমাস
গ) কর্মধারয় সমাস
ঘ) দ্বন্দ্ব সমাস
সঠিক উত্তর: ক) তৎপুরুষ সমাস
ব্যাখ্যা:
“অজানা” শব্দটি গঠিত হয়েছে—
অ = না (নিষেধবাচক অব্যয়)
জানা = জ্ঞাত, যেটা জানা হয়েছে
অ + জানা = অজানা
→ অর্থ: যেটা জানা হয়নি, অর্থাৎ অজ্ঞাত বা অপরিচিত।
এখানে “অ” উপসর্গটি একটি অব্যয়, যা “জানা” শব্দটির পূর্বে বসে তাকে নিষেধ অর্থে ব্যবহার করেছে।
এই ধরনের সমাস যেখানে অব্যয় পদ + ক্রিয়াপদ বা বিশেষ্য পদ মিলে যায়, তাকে বলে অব্যয়ীভাব তৎপুরুষ সমাস।
অব্যয়ীভাব তৎপুরুষ সমাসের বৈশিষ্ট্য:
প্রথম পদ: অব্যয় (যেমন: অ, সু, ন, ইতি ইত্যাদি)
দ্বিতীয় পদ: সাধারণত ক্রিয়া বা বিশেষ্য
সমাসপদটি হয় অব্যয় রূপে বা বর্ণনা মূলক রূপে
অর্থে প্রশ্ন করলে হয়: “কীভাবে?”, “কেমন?”, “কী অবস্থায়?”
আরও উদাহরণ:
অজানা = না জানা (অ + জানা)
নজর = না + যত্ন (অবহেলা)
সুগম = সু (ভালোভাবে) + গম (যাওয়া) = সহজে যাওয়া যায় এমন
ইতিবৃত্ত = ইতি (শেষ) + বৃত্ত (বর্ণনা) = শেষ পর্যন্ত বর্ণনা
উপসংহার:
“অজানা” একটি অব্যয়ীভাব তৎপুরুষ সমাস, যার অর্থ — যা জানা হয়নি বা অপরিচিত।