ক) তৎপুরুষ সমাস
খ) বহুব্রীহি সমাস
গ) কর্মধারয় সমাস
ঘ) দ্বন্দ্ব সমাস
সঠিক উত্তর: ক) তৎপুরুষ সমাস
ব্যাখ্যা:
“শিক্ষক” শব্দটি গঠিত হয়েছে—
শিক্ষা = জ্ঞান দান, শেখানো
-ক (প্রত্যয়) = কর্মকারক, যে কাজটি করে
→ শিক্ষা + ক = শিক্ষক
→ অর্থ: যিনি শিক্ষা দেন বা শেখান, অর্থাৎ জ্ঞানদানকারী ব্যক্তি।
এখানে “শিক্ষা” হচ্ছে মূল ক্রিয়াপদ, আর “-ক” প্রত্যয় যুক্ত হয়ে এটিকে করে তুলেছে করণ তৎপুরুষ সমাস—
অর্থাৎ যিনি শিক্ষা কর্মটি করেন।
তৎপুরুষ সমাসের বৈশিষ্ট্য (করণ তৎপুরুষ):
কর্তা বা কর্মের সঙ্গে যুক্ত হয়ে যে সমাস গঠিত হয়
প্রশ্ন করলে “কী দ্বারা?” বা “কে করে?” — এমন উত্তর পাওয়া যায়
দ্বিতীয় পদ (মূল শব্দ বা প্রত্যয় যুক্ত অংশ) মুখ্য
→ শিক্ষক = যে শিক্ষা করে বা দেয়
আরও উদাহরণ (করণ তৎপুরুষ):
রচয়িতা = রচনা + ইত (যিনি রচনা করেন)
বক্তা = বলা + ক (যিনি বলেন)
নাট্যকার = নাট্য + কার (যিনি নাটক রচনা করেন)
উপসংহার:
“শিক্ষক” একটি করণ তৎপুরুষ সমাস,
যার অর্থ — যিনি শিক্ষা দেন বা শিক্ষাদান করেন।