ক) তৎপুরুষ সমাস
খ) কর্মধারয় সমাস
গ) অব্যয়ীভাব সমাস
ঘ) বহুব্রীহি সমাস
✅ সঠিক উত্তর: ক) তৎপুরুষ সমাস
📘 ব্যাখ্যা:
“প্রশাখা” শব্দটি গঠিত হয়েছে—
প্র = উপসর্গ, যার অর্থ “সামনে”, “বাইরে”, বা “অতিরিক্ত”
শাখা = ডাল, উপাংশ বা উপবিভাগ
👉 প্র + শাখা = প্রশাখা
👉 অর্থ: শাখার শাখা, অর্থাৎ একটি মূল শাখা থেকে নির্গত আরও একটি শাখা বা উপশাখা।
এখানে “শাখা” হচ্ছে মূল পদ এবং “প্র” উপসর্গটি তাকে বিশেষিত করছে, যার মাধ্যমে বোঝায় যে এটি শাখারই এক সম্প্রসারিত রূপ বা ভাগ।
যেহেতু “প্র” উপসর্গ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে এবং মূল পদ “শাখা”, তাই এটি উপপদ তৎপুরুষ সমাস বা সরলভাবে তৎপুরুষ সমাস-এর অন্তর্গত।
✳️ তৎপুরুষ সমাসের বৈশিষ্ট্য:
পরের পদ মূল শব্দ হয়
পূর্বপদ বিভক্তির অর্থ প্রকাশ করে
সমাসে বিভক্তি থাকে না
এখানে উপসর্গ যুক্ত হওয়ায় উপপদ তৎপুরুষ গঠন হয়েছে
✅ আরও উদাহরণ (উপপদ তৎপুরুষ সমাস):
উপবিদ্যালয় = বিদ্যালয়ের উপশাখা
অধিকার = উপর থেকে কৃত কর্তৃত্ব
প্রবক্তা = যিনি বক্তৃতা করেন
প্রশাখা = শাখার শাখা
✅ উপসংহার:
“প্রশাখা” একটি উপপদ তৎপুরুষ সমাস,
যার অর্থ — শাখার শাখা বা উপশাখা। এটি মূল শব্দ শাখা-কে “প্র” উপসর্গ দ্বারা বিশেষিত করে।
🔍 এমন আরও সমাস নিয়ে জানতে চাইলে নির্দ্বিধায় জিজ্ঞেস করো — আমি সাথে আছি! 🌿📘✅