ক) তৎপুরুষ সমাস
খ) বহুব্রীহি সমাস
গ) কর্মধারয় সমাস
ঘ) দ্বন্দ্ব সমাস
সঠিক উত্তর: ক) তৎপুরুষ সমাস
ব্যাখ্যা:
“বেয়াদব” শব্দটি গঠিত হয়েছে—
বে = “না”, “অভাব”, “বিরোধ” বোঝায় (নিষেধ সূচক উপসর্গ)
আদব = ভদ্রতা, শিষ্টাচার, নম্রতা
বে + আদব = বেয়াদব
→ অর্থ: যার আদব নেই, অর্থাৎ অভদ্র, দুর্বিনীত, অসভ্য ব্যক্তি।
এখানে “বে” উপসর্গটি “আদব” শব্দের বিপরীত বা অভাব বোঝাচ্ছে।
এই উপসর্গ দ্বিতীয় পদের অর্থকে নিষেধ করছে বা তার অভাব বোঝাচ্ছে — তাই একে নিষেধবাচক তৎপুরুষ সমাস বলে।
তৎপুরুষ সমাসের বৈশিষ্ট্য (নিষেধবাচক):
উপসর্গ (বে/অ/নির) প্রথম পদে থাকে
দ্বিতীয় পদের অর্থের অভাব বা বিপরীত বোঝায়
সমাসপদ দ্বিতীয় পদের অর্থকে প্রকাশ করে
প্রশ্ন করলে হয়: কিসের অভাব? → আদবের → বেয়াদব
আরও উদাহরণ:
অশান্ত = শান্তির অভাব
নিরবোধ = বোধের অভাব
বেয়াদব = আদবের অভাব
উপসংহার:
“বেয়াদব” একটি নিষেধবাচক তৎপুরুষ সমাস, যার অর্থ — যার আদব নেই, অর্থাৎ অভদ্র বা দুর্বিনীত ব্যক্তি।