ক) তৎপুরুষ সমাস
খ) বহুব্রীহি সমাস
গ) কর্মধারয় সমাস
ঘ) দ্বন্দ্ব সমাস
সঠিক উত্তর: ক) তৎপুরুষ সমাস
ব্যাখ্যা:
“জলদ” শব্দটি গঠিত হয়েছে—
জল = পানি
দ (ধাতু) = দেওয়া, প্রদান করা
→ জল + দ = জলদ
→ অর্থ: যে জল দেয় বা জলবাহী/জলপ্রদানকারী। সাধারণভাবে এর অর্থ — মেঘ।
এখানে দ্বিতীয় পদ “দ” মানে “দাতা” বা “যে দেয়”, এবং প্রথম পদ “জল” সেই দেওয়া জিনিসটি নির্দেশ করে।
অর্থাৎ, “সে কী দেয়?” — জল
এই “কিসের দাতা?” বা “কি প্রদান করে?” ধরনের প্রশ্ন করলে, সম্পর্ক বোঝায় ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস।
তৎপুরুষ সমাসে (ষষ্ঠী) সম্পর্ক:
প্রথম পদের সঙ্গে দ্বিতীয় পদের “কার”, “কিসের”, “কি প্রদান করে” সম্পর্ক থাকে
এই সমাসে বিভক্তিহীনভাবে দুটি পদ একত্রে আসে
বিশ্লেষণ:
জল + দ (দাতা) = জলদ
অর্থ: জলের দাতা
এই শব্দে “জল” হলো যা দেওয়া হচ্ছে, এবং “দ” মানে দানকারী (দাতা)
→ তাই, জলদ = জলদাতা = মেঘ
→ এটি ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস
আরও উদাহরণ (ষষ্ঠী তৎপুরুষ):
রক্তদাতা = রক্তের দাতা
বিদ্যাদান = বিদ্যার দান
অগ্নিহোত্র = অগ্নির জন্য হোত্র (যজ্ঞ)
উপসংহার:
“জলদ” একটি ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস, যার অর্থ — জল প্রদানকারী বা মেঘ।
এখানে “জল” কিসের দান হচ্ছে, সেই সম্পর্কই এই সমাসের বৈশিষ্ট্য।