ক) বহুব্রীহি সমাস
খ) দ্বন্দ্ব সমাস
গ) তৎপুরুষ সমাস
ঘ) দ্বিগু সমাস
✅ সঠিক উত্তরঃ গ) তৎপুরুষ সমাস
ব্যাখ্যাঃ
“করপল্লব” শব্দটি এসেছে কর + পল্লব থেকে। এখানে কর মানে হাত এবং পল্লব মানে কচি পাতা। দুটি শব্দ মিলে দাঁড়াচ্ছে “হাত যেন কচি পাতার মতো”। অর্থাৎ করপল্লব বলতে কোমল হাত বা পদ্মপাতার মতো নরম হাতকে বোঝানো হয়।
সমাসের নিয়ম অনুযায়ী এখানে “কর” এবং “পল্লব” শব্দ দুটি যোগ হয়ে একটি নতুন শব্দ তৈরি করেছে। এর মধ্যে মূল শব্দ বা প্রধান অর্থ দাঁড়াচ্ছে “পল্লব”, যা কচি পাতাকে নির্দেশ করে। আর “কর” শব্দটি এখানে বিশেষণ বা নির্দিষ্টকরণের ভূমিকা পালন করছে। সমাসে যখন পূর্বপদটি উত্তরপদকে বিশেষভাবে নির্দিষ্ট করে তখন সেই সমাসকে তৎপুরুষ সমাস বলা হয়।
অন্যদিকে যদি এটি বহুব্রীহি বা দ্বন্দ্ব সমাস হতো, তাহলে পুরো শব্দটির অর্থ অন্যকিছু বোঝাতো এবং আলাদা শব্দের সমাহার থেকে ভিন্ন একটি নতুন সত্তা দাঁড়াতো। কিন্তু এখানে অর্থ স্পষ্টভাবেই “কচি পল্লবের মতো হাত” বোঝাচ্ছে।
তাই “করপল্লব” হচ্ছে তৎপুরুষ সমাস। এটি কাব্যিক অলঙ্কারেও বহুল ব্যবহৃত, বিশেষত রূপক অর্থে হাতের কোমলতা প্রকাশ করার জন্য।