ক) তৎপুরুষ সমাস
খ) বহুব্রীহি সমাস
গ) কর্মধারয় সমাস
ঘ) দ্বিগু সমাস
সঠিক উত্তর: ক) তৎপুরুষ সমাস
ব্যাখ্যা:
“কালচক্র” শব্দটি গঠিত হয়েছে দুটি পদ থেকে —
১. “কাল” : সময়, সময়চক্র, পরিবর্তনের একক
২. “চক্র” : চাকা, ঘূর্ণন, আবর্তন ইত্যাদি
এই দুটি পদ একত্র হয়ে “কালচক্র” শব্দ গঠন করেছে, যার অর্থ —
সময়ের চক্র, অর্থাৎ সময়ের ধারা, যা চক্রাকারে ঘুরে চলে (যেমন: দিন-রাত, ঋতু পরিবর্তন, যুগচক্র)।
এখানে “কাল” শব্দটি ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস-এর মতো করে “চক্র”-এর অধিকার বা সম্পর্ক বোঝাচ্ছে।
অর্থ দাঁড়ায় — “কালের চক্র” → চক্রটি কিসের? কালের।
তৎপুরুষ সমাসে:
প্রথম পদ সাধারণত কারক বা বিভক্তি যোগে দ্বিতীয় পদের সঙ্গে সম্পর্ক প্রকাশ করে
দ্বিতীয় পদ (চক্র) প্রধান
প্রথম ও দ্বিতীয় পদ মিলিয়ে একটি নতুন অর্থ গঠন করে, যেখানে দ্বিতীয় পদের গুরুত্ব বেশি
তৎপুরুষ সমাসের বৈশিষ্ট্য:
দ্বিতীয় পদ থাকে প্রধান
প্রথম পদ সাধারণত কারক/অধিকরণ/সম্পর্ক বোঝায়
সমাসপদে বিভক্তি লোপ পায় (যেমন: কালের চক্র → কালচক্র)
আরও কিছু তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ:
দ্বাররক্ষক = দ্বারের রক্ষক
অধিকারী = অধিকারের অধিকারী
রাজারাজা = রাজার মতো রাজা
কালচক্র = কালের চক্র → সময়ের চক্র
অতএব, ‘কালচক্র’ একটি তৎপুরুষ সমাসে গঠিত শব্দ।