ক) তৎপুরুষ সমাস
খ) কর্মধারয় সমাস
গ) বহুব্রীহি সমাস
ঘ) দ্বন্দ্ব সমাস
✅ সঠিক উত্তর: ক) তৎপুরুষ সমাস
📘 ব্যাখ্যা:
“ইন্দ্রজিৎ” শব্দটি গঠিত হয়েছে—
ইন্দ্র = দেবরাজ ইন্দ্র
জিৎ = জয় করেছেন
👉 ইন্দ্র + জিৎ = ইন্দ্রজিৎ
👉 অর্থ: যিনি ইন্দ্রকে জয় করেছেন
(এই নামে রাবণের পুত্র মেঘনাদ প্রসিদ্ধ)
এখানে পূর্বপদ “ইন্দ্র” হলো কর্ম, এবং পরপদ “জিৎ” হলো ক্রিয়া বা কর্তা-সম্পর্কিত পদ।
সমাসপদটি সেই ব্যক্তি বোঝায় যিনি ইন্দ্রকে জয় করেছেন।
এ ধরনের সমাসকে বলা হয় কর্মণি তৎপুরুষ সমাস —
যেখানে পূর্বপদ কর্ম (অর্থাৎ যার ওপর কর্ম সংঘটিত হচ্ছে), আর পরপদ ক্রিয়া বা গুণ প্রকাশ করে।
✳️ কর্মণি তৎপুরুষ সমাসের বৈশিষ্ট্য:
পূর্বপদে যার উপর কর্ম সংঘটিত হয়, সেই পদ থাকে
পরপদে ক্রিয়া বা গুণ বা কার্য সম্পাদন বোঝানো হয়
অর্থে: “যাকে… করেছেন” বা “যিনি … করেছেন” এমন হয়
✅ আরও উদাহরণ (কর্মণি তৎপুরুষ):
ত্রিলোকজিত্ = তিন লোককে জয় করেছেন
শত্রুঘ্ন = শত্রুকে ঘাত করেছে
নাগহন্তা = সাপকে হত্যা করেছে
ইন্দ্রজিৎ = ইন্দ্রকে জয় করেছেন
✅ উপসংহার:
“ইন্দ্রজিৎ” হলো একটি কর্মণি তৎপুরুষ সমাস,
যার অর্থ — যিনি ইন্দ্রকে জয় করেছেন।
📘 মনে রাখবে:
যখন সমাসপদ সেই ব্যক্তি বা বস্তু বোঝায় যিনি কোনো কিছুকে কার্য বা কর্ম হিসেবে করেছেন — তখন সেটা হয় কর্মণি তৎপুরুষ সমাস।